Advertorial

ডায়েট ও শরীরচর্চা ছাড়াই প্রতিদিন ১ কেজি ওজন কমবে, এমন অভিনব পন্থা উদ্ভাবন দিল্লির চিকিৎসকের

প্রথমবার প্রাকৃতিক উপায়ে ওজন কমানোর সলিউশন



আমরা শ'য়ে শ'য়ে ইমেল পাই পাঠকদের কাছ থেকে যাঁরা জানান, নতুন এই পন্থা ব্যবহার করে প্রতিদিন ১ কেজি করে ওজন কমাচ্ছেন তাঁরা। প্রথমে আমরাও বিশ্বাস করিনি। কারণ সমস্ত ওজন কমানোর পদ্ধতিই একই দাবি করে। তবে ফলাফল এতটাই চমকে দেওয়া ছিল যে আমরা খোঁজখবর শুরু করি। আমাদের অনেক পাঠক ৩০দিনে ২৮ কেজি ওজন ঝরিয়েছেন বলে জানতে পারি। তা হয়েছে কোনও ডায়েটিং, শরীরচর্চা, ব্যয়বহুল সার্জারি অথবা পছন্দের খাবার না খাওয়া বাদ দিয়েই। হেলথ রিপোর্ট ঠিক করে, কে এই যুগান্তকারী উপায় আবিষ্কার করেছেন, তাঁর সম্পর্কে জানতে হবে।

বিখ্যাত বায়ো-মেডিসিন চিকিৎসক সিদ্ধার্থ কুমাইল এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন এবং ওজন কমানো নিয়ে যে সত্যি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল তা সকলের সামনে এনেছেন। নয়া দিল্লির এইমস হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় চিকিৎসক কুমাইল এই পদ্ধতি সামনে আনেন। এবং ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলি সেটাকে নিষিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। আদালতের ঘোষণায় তা ব্যান হওয়ার আগে জেনে নিন কীভাবে ডায়েট, শরীরচর্চা ও বেদনাদায়ক সার্জারি ছাড়াই আপনি ওজন কমাতে পারবেন।

Dr. Kumail’s Shocking Discovery...

It seemed like just another day at AIIMS when my life completely changed. I was in between teaching bioengineering classes and doing my rotations at the AIIMS Teaching Hospital when I got a call from my mother. She knew I was working so she wouldn’t have called unless it was really important. When I saw her name on my cell phone I was instantly nervous and took the call.

What she told me next completely destroyed me. My younger brother Kapil, who was just 33, suffered a major heart attack and was being driven in an ambulance to the very hospital I worked in.

I excused myself from my class and rushed downstairs. Emotions were rushing through my mind. Would my brother be okay? How bad was the heart attack? Would he need surgery? I knew I couldn’t operate on my own brother. I was too emotional to go through with the surgery. I started mentally listing which of my colleagues could perform the operation in my place, but what happened next was even worse than I imagined. As soon as they brought Kapil into the emergency room, I saw him on the stretcher and I froze. He wasn't breathing.

We rushed him into a private room and I desperately tried reviving him for 10 minutes which felt like eternity. I only gave up after the nurse pulled me off him and softly said, “It’s over.”

I was completely heartbroken. My brother was dead at the age of 33.

I never got over the feelings I felt that day. My whole world came crashing down in front of me. I felt as if all my education had gone to waste. If I could not save my own younger brother, what was the point of being a doctor? My mother was in a state of shock when I gave her the news. It took weeks for her to accept that he was really gone.

In fact, she refused to talk to me. She thought I could have saved him but in my heart I knew there was nothing I could have done.

While my brother’s death was a horrible shock, it wasn’t a mystery. The main reason for Kapil’s death was obesity. He had a clogged artery and all he needed was a simple stent to save his life. At first all I could think was that we were 8 minutes too late. If he had come in 8 minutes earlier I could have saved him. But in reality, we were years late. If only Kapil had taken his obesity seriously. If only we realized how unhealthy we was because of his extreme weight. Afterall, I've had 100's of patients die in my arms because of complications of obesity like heart attack, stroke and cancer.

After that day, I could not go back to being a surgeon. Whenever I tried I could not keep my hands from shaking. Every time I looked at a body on the operating table I saw my brother Kapil. I knew I was not psychologically fit to perform surgery. However, I knew I had to do something about obesity and find a solution and save the countless people who die everyday because of their extreme weight.

I decided to quit practicing medicine and become a full time professor and research scholar at AIIMS. I dedicated myself to studying the impact of different natural extracts on the production of fat cells. My goal was to find an easier way for obese men and women to save their own lives. Millions of people all over the world struggle with their weight, but most diets are too hard to follow. In addition, most weight loss programmes being promoted by spa-clinics cost Rs. 40,000-50,000, and despite the high cost, the results are painfully disappointing. They only get rid of water weight, and you gain the weight back in under a month.That is why losing weight often feels like an impossible challenge.

After Kapil’s funeral, I went straight to my lab at AIIMS. I promised myself I would use my expert knowledge of biology to find a solution to obesity, and prevent any more pointless deaths. Every day I got into the lab at 6am and before I did anything I looked at a picture of my brother, and remembered why I was there.

আমার পরীক্ষণের মূলে রয়েছে পেট, কোমর ও নিতম্ভে জমে থাকা, কমতে না চাওয়া মেদ। বহুবছর ধরে জমতে থাকা এই মেদ ঝরিয়ে ফেলা অত সহজে সম্ভব নয়। তাছাড়া এর ফলে শরীরের মেটাবলিজমও মন্থর হয়ে পড়ে। আমি চেয়েছিলাম একটি অর্গ্যানিক সলিউশন তৈরি করতে যা এই বেরতে না চাওয়া মেদকে আক্রমণ করবে। একইসঙ্গে শরীরের মেটাবলিজমকেও বাড়িয়ে তুলবে।

আমি একেরপর এক পরীক্ষা শুরু করলাম। ফ্যাট সেল নিয়ে আমার হাজারো পরীক্ষা শুরু হল। রহস্যের পর্দাফাঁস করতে প্রাণপাত শুরু করলাম। তবে একাজ করতে অনেক শারীরিক শক্তি প্রয়োজন ছিল। ওজন ঝরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে গিয়ে সারারাত আমি ল্যাবরেটরিতে পড়ে থাকতাম। আমার অনুপ্রেরণা ছিল ভাইয়ের ছবি। এই ছবিই আমার বলে দিত বিষয়টির গুরুত্ব।

দুই বছর পরীক্ষা চালানোর পরেও আমার কাছে স্থূলত্ব নিয়ে কোনও সঠিক ধারণা ছিল। ফলে আমি হতাশ হতে শুরু করি। আমার সহকর্মীরা আমার দক্ষতা নিয়ে সন্দিহান হতে শুরু করেন। আমার ভয় ছিল, আমি উপায় বের করতে না পারলে ভাইয়ের মতোই লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাবে। আমি দেশ-বিদেশ থেকে হাজারো লতা-পাতা এনে টনিক, স্ট্রেন তৈরি করে দেখেছি। কোনও ফল পাইনি। শেষপর্যন্ত আমার হাতে ছিল একটিমাত্র ফল। সেটিই পরীক্ষা করে দেখতে হতো। তবে ততদিনে আমি আশাহত হয়ে অন্য কিছু নিয়ে গবেষণা করার কথা ভেবে ফেলেছি।

শেষ ফলটি ছিল সুস্বাদু আফ্রিকান বেরি যা কঙ্গোর গভীর অঞ্চলে পাওয়া যেত। মেডিক্যাল স্কুলে আমি প্রাচীন পথ্যের উপরে ক্লাস করেছিলাম। আমি সেই প্রফেসরের সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। তিনি জানালেন আফ্রিকার একটি নির্দিষ্ট উপজাতি কীভাবে শিকার যাওয়ার আগে এই ফল খেয়ে নিজেদের মেটাবলিজম বাড়িয়ে নেয়। যাতে তাদের শক্তি ও উন্মাদনা আগের চেয়ে বেড়ে যায়।

আফ্রিকার ওই উপজাতির মানুষরা শিকারের দক্ষতার জন্য বিখ্যাত। এবং শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে সমস্ত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও নিজেদের জীবনকে টিঁকিয়ে রেখেছে। আমি জানতাম এর পিছনে নিশ্চয়ই লুকোনো কোনও শক্তি রয়েছে। সহকর্মীদের সেকথা জানাতেই সকলে ঠাট্টা করতে শুরু করল। ম্যাজিক ফল দিয়ে স্থূলত্ব কমবে কীভাবে তা নিয়ে হাসাহাসিও হল। সকলে বলল, আমি মূর্খের স্বর্গে বাস করছি।

যখন আমার বাড়িকে সেই ম্যাজিক ফল এসে পৌঁছল, আমি নার্ভাস ছিলাম। তবে জানতাম আমার কিছু হারানোর নেই। ওভেনে ফলগুলিকে শুকিয়ে ফেললাম। তারপরে গুড়ো করে স্যালাইনের সলিউশনে সেই ফল মিশিয়ে ফেললাম। তারপরে ল্যাবে তৈরি ফ্যাট টিস্যুর উপরে সেই জল ঢেলে ভালো কিছুর আশা করে বাড়ি ফিরে গেলাম।

পরের দিন ল্যাবে ফিরে এসে দেখি ফ্যাট উবে গিয়েছে। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। যে ফ্যাট গলানো প্রায় অসম্ভব তা এটি গলিয়ে দিয়েছে। আমার অভিজ্ঞতায় এই জিনিস আগে দেখিনি। এই চর্বি গলে এনার্জি বািয়ে দেয় ও মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। সেজন্যই উপজাতির মানুষরা এত এনার্জি নিয়ে শিকারে যেতে পারে। এই সলিউশন নিমেষে ফ্যাট গলিয়ে তা থেকে শক্তি তৈরি করে দিচ্ছে।

I began to jump for joy. This was the solution I had been looking for! I knew if I went to the university to run human trials it will take me months to get permission but I didn’t want to wait so long so I decided to be the guinea pig and test it on myself.

আমি দেরি না করে সেই সলিউশন নিজে রোজ থেকে শুরু করলাম যাতে নিজেই ফলাফল চাক্ষুষ করতে পারি।

এক সপ্তাহ পরে আমি স্তম্ভিত হয়ে যাই। আমার এনার্জি বেড়ে গিয়েছে। অথচ আমার খিদে পাচ্ছে না। আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমার ৫.৭ কেজি ওজন কমেছে। আমি অভিভূত হলেও সন্তুষ্ট ছিলাম না। আমি রোজ ওই সলিউশন খেতে থাকলাম। আমার এনার্জি বেড়ে গেল। ঘুম ভালো হল। আমার ঘুম রাতে ভাঙছিল না। এপাশ-ওপাশ করছিলাম না। আরও এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই আমার আরও ৬.২ কেজি ওজন ঝরে গেল। সবমিলিয়ে ২ সপ্তাহে ১২ কেজি ওজন কমালাম।

আমার সলিউশন কাজ করতে শুরু করায় তা দুনিয়ার সামনে আনার কথা চিন্তা করলাম। পরের কয়েক মাসের মধ্যে আমার অর্গ্যানিক ফলের নির্যাস ভালো করে তৈরি হল। তা থেকে সহজে গিলে ফেলা যায় তেমন ক্যাপসুলও তৈরি করলাম। তারপরে আমি এমআইটি-র বিজ্ঞানী পিটার মোলনারের যোগাযোগ করলাম। তাঁকে এই গবেষণা দেখাতে চাইলাম। সারা বিশ্বে মোট ১২০০জনের উপরে পরীক্ষা করা হল। ৯৭ শতাংশ রোগী ৩০ দিনে ১৫ কিলো ওজন কমালেন। যারা পরীক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন, সেই পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে সকলেই এই ফলাফল দেখে স্তম্ভিত। তাঁরা সুস্থ ছিলেন, কনফিডেন্ট ছিলেন এবং যৌনাকাঙ্খায়ও ভাটা পড়েনি।

আমার মনে হয় জয়ী হয়েছি। তবে তার আগে মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করতে হতো। ভাই কপিল মারা যাওয়ার পরে তিনবছর আমি মায়ের কথা বলিনি। আমি মাকে ফোন করলাম ও আমার ল্যাবে আসতে বললাম। সেখানে আমার কাজ নিয়ে ব্যাখ্যা করলাম। নতুন রোগা হওয়া রোগীদের দেখালাম। তবে তখনও মা চুপ ছিল। আমি ভাবলাম রেগে রয়েছে। আমি ক্ষমা চাইতেই হাত বাড়িয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করল। মা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, আমি তোমায় নিয়ে গর্বিত। আর কোনও মা যেন স্থূলত্বের কারণে সন্তানহারা না হয়। এই শুনে আমিও কাঁদতে শুরু করলাম। এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত ছিল।

তারপর থেকে আমার ওজন কমানোর সলিউশনের নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। হলিউড, বলিউডের বড় সেলেবসরা অনেক ওজন কমিয়েছেন আমার ফর্মুলা মেনে। এবং প্রতিদিন আমি চিঠি পাই সারা বিশ্ব থেকে। সকলেই আমাকে জীবন বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ দেন। আমার পথ্য প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি, কম দাম এবং এটা গ্রহণ করলে রোগা হওয়ার গ্যারান্টি রয়েছে। আমার এই সলিউশনের কথা বিভিন্ন বিখ্যাত মেডিক্যাল জার্নাল ও ন্যাশনাল পাবলিকেশনে প্রকাশিত হয়েছে।

কীভাবে এই ট্রিক মেদ কমাতে সাহায্য করে?

শুনতে আশ্চর্য মনে হলেও আমি ব্যাখ্যা করছি, কীভাবে এটি কাজ করে।

ন্যাচারাল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গার্সিনিয়া ক্যাম্বোগিয়ার সঙ্গে ম্যাজিক ফলকে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা শরীরের মেটাবলিজমকে বাড়িয়ে দেয়, শরীরের টক্সিন দূর করে ও এনার্জিকে দশগুণ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে জমে থাকা মেদ রাতারাতি কমে যায়। ক্ষতিকর টক্সিন সরিয়ে ক্যালোরি বার্ন হতে সাহায্য করে দীর্ঘ সময়ের জন্য। যার ফলে মেদ আপনা থেকেই কমে যায়।

বহু সমীক্ষায় এটা দেখা গিয়েছে যে মোটা নারী বা পুরুষের ভালো চাকরি পেতে সমস্যা হয় এমনকী বিপরীত লিঙ্গের সুনজরে পড়তেও অসুবিধা হয়। যার ফলে অবসাদগ্রস্ততা বাড়ে, আত্মবিশ্বাস কমে যায়। সোজা কথায়, মোটা হওয়া নেতিবাচকভাবে জীবনে অনেক প্রভাব ফেলে।

তবে চিন্তা করবেন না। মেটাবলিজম রেট কমে যাওয়াই শরীরে মেদ জমতে সাহায্য করে। সেটার উপরেই আমার ওজন কমার সলিউশন কাজ করে। পুষ্টির সঠিক মিশ্রণের কারণে এটি মেটাবলিজমকে বাড়িয়ে তোলে ও বছরের পর বছর জমে থাকা মেদ গলিয়ে দেয়। যার ফলে আপনি রোগা হয়ে যান ও সেটা ধরে রাখতে পারেন।

That means reversing years of weight gain- permanently!

মোটা হওয়ায় যারা বছরের পর বছর ধরে হীনম্মন্যতায় ভুগছেন, তাদের কাছে এই সলিউশনটি নিয়ে আসার কথা ভাবি। ম্যাজিক ফলের নির্যাসকে ট্যাবলেট বানিয়ে সামনে আসে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া । মোটা হওয়ার সমস্যায় ভুগতে থাকা লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষকে আমি সাহায্য করেছি। তবে আমি আন্দাজ করতে পারিনি আমার এই কাজ চিকিৎসক, হাসপাতাল ও ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিকে রাগিয়ে তুলবে। যদিও আমাকে ওরা থামাতে পারবে না। নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ওদের সকলের মুখের উপরে জবাব। লাইপোসাকশন ও টক্সিক ওয়েট লস সাপ্লিমেন্টের পরিবর্ত এই কম খরচের সলিউশন।

ন্যাচারাল সিনার্জিটাই সিক্রেট। আফ্রিকান বেরি বাদেও নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ায় রয়েছে গার্সিনিয়া ক্যাম্বোগিয়া যা ওজন কমায় ও এনার্জি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এগুলি শরীর থেকে টক্সিন বের করে মেদ কমায়, ক্যালোরি পুড়িয়ে মেদ জমা দীর্ঘদিনের জন্য আটকে দেয়। ফ্যাট কোশকে টার্গেট করতে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার জুড়ি নেই। যার ফলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি, সহজে ও স্থায়ীভাবে মেদ ঝরাতে পারবেন।

এটা ঘটনা যে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া নারী-পুরুষের ওজন কমিয়ে আনন্দ বাঁচতে সাহায্য করে।

Ankur Benjari


I never watched what I ate. Then my doctor told me I was dangerously overweight, and on the verge of becoming diabetic. Thank heavens I found Nutralyfe Garcinia. lost all the extra weight and I feel amazing! (my doctor can’t believe it!) about 1 week ago . Delhi, India
110 Shares
Like       Comment     Share
Avichal Garg and 154 others like this.
Rohan Khanna


I’m so thankful my wife introduced me to Nutralyfe Garcinia. After our first child was born, I tried everything to lose the weight I gained during pregnancy. I almost gave up on myself, but with Nutralyfe Garcinia I lost 18kg! I’m even thinner now than I was before the baby! about 1 week ago . Delhi, India
110 Shares
Like       Comment     Share
Avichal Garg and 154 others like this.

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার পরীক্ষা

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া যে দাবি করা হচ্ছে তা কতদূর সত্যি তা আমরা দেখতে চেয়েছিলাম। বেশিরভাগ গল্পেই নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার কার্যকারিতা সম্পর্কে বলা হয়েছে ৩০ দিনে ২৮ কেজি ওজন ঝরিয়েছে বলে। আরও বলা হয়েছে, নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া মেদকে ঝরিয়ে মেটাবলিজম বাড়ায়। যার ফলে স্বাস্থ্যের সার্বিক উন্নতি হয়।

এই প্রোডাক্টটির একশো শতাংশ সন্তুষ্টি গ্যারান্টি রয়েছে।

ওজন কমাতে কীভাবে পণ্যটি ব্যবহার করবেন জেনে নিন :



এখনও অনেকেই নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া নিয়ে সন্দিহান। যতক্ষণ পর্যন্ত না চেনা কেউ তা ব্যবহার করে।

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া নিয়ে এত কথা শোনার পরে লাইফস্টাইল হাবের হয়ে আমরা পরীক্ষার কথা ভাবি। রিপোর্টার রোহন কাপুর নিজে গিনিপিগ হতে রাজি হন। কারণ তিনি গত দশবছর ধরে ওজন বাড়ার সমস্যায় ভুগছিলেন। রোহন নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া অনলাইনে অর্ডার করলেন। লস অ্যাঞ্জেলসের জিএনপি ল্যাবে এটি পরীক্ষিত। তাই নির্দ্বিধায় তিনি তা অর্ডার করেন।

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া হাতে পাওয়া বেশ কঠিন ব্য়াপার। আমাকে এটি হাতে পেতে ২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছে। সব জায়গায় তা সোল্ড আউট ছিল। মানুষ নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়াকে হাতে পেতে স্টক করতে শুরু করে। যার ফলে তা সোল্ড আউট হয়ে যায়।

রোহন বলেছেন, নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার ডিসকাউন্ট দেওয়া বোতল কয়েকদিন পরে হাতে পাই। ডেলিভারি ফ্রি ছিল। যা বাড়তি বোনাস।

রোহনের দারুণ ফলাফল জেনে নিন...

৩০ দিনের নির্যাস - রোহনের নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহারের ফলাফল

৭ দিন পর :

এক সপ্তাহ নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহারের পরে আমি ফলাফল দেখে বিস্মিত। আমার এনার্জির মাত্রা বেড়ে গিয়েছিল ও আমার তা সত্ত্বেও খিদে পাচ্ছিল না।

আমার দারুণ লাগছিল।

সবচেয়ে মজার, আমি আমার নিত্যদিনের রুটিন পাল্টাইনি। প্রতিদিন যা করতাম তাই করেছি। যা খেতাম তাই খেয়েছি। সাতদিন পরে ওজন চেক করে অবাক হয়ে যাই। আমার ৫ কেজি ওজন কমে গিয়েছিল। যদিও তাতে মন ভরেনি। আগামী সপ্তাহগুলি কেমন যায়, সেটা দেখতে চাইছিলাম।

১৫ দিন পর :

আরও বেশি এনার্জি দিয়ে শুরু করলাম। আগের চেয়ে বেশি ঘুম হতো। রাতে ঘুম ভাঙতো না। এপাশ-ওপাশ করতাম না। দিনের শেষে হাঁটু ও গোড়ালি ব্যথা হতো না। তারপরও আরও ৮ কেজি ওজন ঝরাতে পারলাম। সবমিলিয়ে ২ সপ্তাহে ১৩ কেজি ওজন ঝরে গেল। না ব্যায়াম করেছি না ডায়েট করেছি। তা সত্ত্বেও এত বছরে অনেক রোগা হয়ে গেছিলাম।

৩০ দিন পর :

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহারের একমাস পরে আমার মনের সমস্ত দ্বন্দ্ব দূর হয়ে যায়। ততদিনে আরও ৬ কেজি ওজন ঝরে গেল। অন্য ধরনের ডায়েট করলে এনার্জি কমে আসে। তবে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহার করে সেই সমস্যা হয়নি। সবমিলিয়ে ১৯ কেজি ওজম ঝরিয়েছি আমি। আগে আমার মনে সন্দেহ ছিল। তবে এখন আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করি। নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া দারুণ কাজ করে।

এর থেকে বেশি খুশি আমি হতে পারতাম না।

Look how great Rohan looks after only 1 month of Nutralyfe Garcinia!

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া নিয়ে আমার ভাবনা

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া একটা দারুণ ব্যাপার। আমি নানা ধরনের ওজন কমানোর সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেছি। তবে এটা একমাত্র যা মেটাবলিজম রেটকে বাড়িয়ে মেদ কমাতে সাহায্য করে। যদি আপনি নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার সঙ্গে পরিচিত হন তাহলে দেরি না করে তা ব্যবহার করুন। আপনি নিশ্চিতাবেই আরও আত্মবিশ্বাসী ও যে ধরনের শরীর সকলে চান, তা পেতে চাইবেন।

Proving to the world it works:

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার গ্রাহক সর্বসম্মত। ব্যবহার করলে অনেক কমবয়সী মনে হয় ও সার্বিকভাবে আত্মবিশ্বাসী লাগে।

চিকিৎসক কুমাইল জানিয়েছেন, নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া নিয়ে মেডিক্যাল কমিউনিটি ও ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে লড়াই তীব্র হতে চলেছে। ওরা এটাকে ব্যান করতে চায়। যেখানে কোটি কোটি ভারতীয় স্থূলত্বের কারণে আত্মবিশ্বাসের অভাবে ভুগছেন যাদের ওজন কমানোর সুযোগ করে দেওয়া উচিত।

এইমস হাসপাতালে বহু বছরের পরীক্ষার পরে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া পুরোদমে উৎপাদন শুরু হয়েছে। নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহার করে আপনি ওজন কমাতে পারেন। বড় বড় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ও স্পা ক্লিনিক নিজেদের লাভের ঘাটতি দেখেই নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া -কে আদালতে টেনে নিয়ে গিয়েছে।

মিডিয়া কভারেজের জন্য নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার সাপ্লাই কমে গিয়েছে। তবে আপনি দেখতে পারেন নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া পাওয়া যাচ্ছে কিনা।

নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার নাম সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডে-র অনলাইন ম্যাগাজিন এডিশনে উল্লেখ করা হয়েছে। এমন এক পিল যা আপনার কোমরকে সরু করে জীবন বদলে দিতে পারে।

আমাদের পাঠকদের জন্য বিশেষ অফার

বহু বছরের নিরলস গবেষণার পরে নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ার বণ্টনকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়ায় ৬০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে পাঠকদের জন্য। নামমাত্র দামে তা আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। আপনি নিজে ব্যবহার করে সকলকে বলতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন, একজন গ্রাহক একটি বোতলই কিনতে পারবেন। তাই দেরি না করে স্টক শেষ হওয়ার আগে কিনে নিন।

আপডেট : আর মাত্র ৬টি ফ্রি ট্রায়াল অবশিষ্ট রয়েছে। এই



Click Here to Get A Bottle of Nutralyfe Garcinia

• 100% pure, premium Garcinia Cambogia
• 100% natural, organic
• All-Natural Appetite Suppressor
• Formulated in the USA - FDA/GNP certified laboratory
• Comes With a 100% Satisfaction Guarantee!
Use our Exclusive Promo Link to claim your bottle.
Read Responses For: AIIMS Doctor Discovers Shockingly Simple Way To Lose 28kg in 30 Days Without Diet or Exercise. (20 out of 44)
  • Divya
    This is a great deal. My mom got this, but at full price and has lost 10 Kg. I am doing it.
  • Sneeha
    My sister tried this and looks amazing. I am a little jealous. Glad I found this offer - I am ordering.
  • Arya
    I ordered the trial bottles and received them within 3 days. I will report back. (I got on the recommendation of a friend who got gorgeous using this.)
  • Vijay
    I’ve been putting off losing weight but I must start already. I have been fat for too long!! :(
  • Priya
    Go for it, Vijay!!
  • Priya
    Oh no! I just tried to order and they are already out! Anyone else?
  • Vijay
    Priya, try again, they have it again now!
  • Priya
    Ordered mine, thanks!!
  • Sunil
    Guess what, I was that “fat kid” in school. I have used this for 4 months and have lost over 40 Kg. This stuff is awesome!!!
  • Lily
    This article is realistic. As someone who has actually used this, I lost almost 15 Kg on this last year and I have kept it off.
  • Swati
    This is the cheapest I’ve ever seen this product. Now they are doing free shipping too? Just noticed that..
  • Nisha
    I know like 10 people who have lost weight with this. This is a great price - I am getting it.

বাকীরা কী বলছে


...

কয়েক বছর আগে আমি এক বন্ধুর কাছে এই ট্রিকের কথা শুনি। এটা আমার জীবন বদলে দিয়েছে। আমি এখন বিবাহিত ও পুত্র রয়েছে। আমি ওজন কমাতে পেরেছি। আপনিও নিজে চেষ্টা করে দেখুন। > ~ কান্তি - দিল্লি


...

আমার বয়স ২৩ বছর এবং গত কয়েকবছরে অনেক ওজন বেড়েছে। আমার বান্ধবী নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া প্রথম ব্যবহার করে ১৫ কেজি ওজন কমায়। যা দেখে আমিও অবাক হয়ে যাই। তিনমাস আগে আমি অনলাইনে অর্ডার করি ও ১৮ কেজি কমাই। এটা মেনে চলা খুব সহজ। জল খেয়ে আপনাকে অ্যাক্টিভ থাকতে হবে। এখন আমি আগের মতোই কনফিডেন্ট।
~ মনোজ - বেঙ্গালুরু


...

আমার কিছু স্বাস্থ্যের সমস্যা ছিল। ফলে ওজন কমানো কঠিন ছিল। আমার দিদির এক বন্ধু নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহার করে ফল পেয়েছিল। সে দিদিকে বলার পরে ও তা ব্যবহার করে ফল পায়। দিদিকে দেখে ভালো লাগত। এখন আমিও নিউট্রালাইফ গার্সিনিয়া ব্যবহার করছি। ১৮ সপ্তাহে ২৪ কেজি ওজন কমিয়েছি। আমি খুশি। আমার পরিবার আমায় নিয়ে খুশি।
~ অনিকা - মুম্বই।